০৫:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুটি বসন্তের উপসর্গ নিয়ে শিক্ষকের মৃত্যু, পরিবারে আক্রান্ত আরও ৩

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় ১১:০২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / ৫ Time View

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গুটি বসন্ত (পক্স) রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিশ চন্দ্র দাস (৪৫) নামে এক স্কুল শিক্ষক মারা গেছেন।

একই সঙ্গে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ পরিবারের আরও তিনজন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ইতিশ চন্দ্র দাস সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের খোলাহাটী বোডঘর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রাণবন্ধু চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরিবার জানিয়েছে, গত ২৮ এপ্রিল থেকে গুটি বসন্তে ভুগছিলেন ইতিশ চন্দ্র দাস। তিনি পাশের গ্রামের এক কবিরাজের কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তবে গত রাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান।

নিহতের স্ত্রী অর্চনা রানী জানান, কয়েক দিন আগে প্রথমে তার শরীরে গুটি বসন্তের লক্ষণ দেখা দেয়। পরে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হলেও পরবর্তীতে তার স্বামীও একই রোগে আক্রান্ত হন। এরপর ২৯ এপ্রিল তাদের বড় ছেলে প্রিমল দাস ঢাকা থেকে বাড়িতে এলে তিনিও আক্রান্ত হন। বর্তমানে ছোট ছেলে অর্মীত দাস (৭)ও এই রোগে ভুগছেন।
গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গুটি বসন্তে আক্রান্ত হয়েই ওই শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

গুটি বসন্তের উপসর্গ নিয়ে শিক্ষকের মৃত্যু, পরিবারে আক্রান্ত আরও ৩

প্রকাশের সময় ১১:০২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় গুটি বসন্ত (পক্স) রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিশ চন্দ্র দাস (৪৫) নামে এক স্কুল শিক্ষক মারা গেছেন।

একই সঙ্গে তার স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ পরিবারের আরও তিনজন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ইতিশ চন্দ্র দাস সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের খোলাহাটী বোডঘর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রাণবন্ধু চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পরিবার জানিয়েছে, গত ২৮ এপ্রিল থেকে গুটি বসন্তে ভুগছিলেন ইতিশ চন্দ্র দাস। তিনি পাশের গ্রামের এক কবিরাজের কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তবে গত রাতে হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান।

নিহতের স্ত্রী অর্চনা রানী জানান, কয়েক দিন আগে প্রথমে তার শরীরে গুটি বসন্তের লক্ষণ দেখা দেয়। পরে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হলেও পরবর্তীতে তার স্বামীও একই রোগে আক্রান্ত হন। এরপর ২৯ এপ্রিল তাদের বড় ছেলে প্রিমল দাস ঢাকা থেকে বাড়িতে এলে তিনিও আক্রান্ত হন। বর্তমানে ছোট ছেলে অর্মীত দাস (৭)ও এই রোগে ভুগছেন।
গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গুটি বসন্তে আক্রান্ত হয়েই ওই শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।