ভোলার চরফ্যাশন মহিলা কলেজে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর, টিআরশেল নিক্ষেপ
- প্রকাশের সময় ০১:১৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
- / ২৫ Time View
চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষা শেষে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
চরফ্যাশন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আইসিটি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের সুযোগ না পেয়ে, একদল উশৃংখল পরীক্ষার্থী ফাতেমা মতিন মহাবিদ্যালয় এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরীক্ষা শেষে প্রায় ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী কেন্দ্র ত্যাগ করে। পরে দুপুর সোয়া ১ টার দিকে প্রায় ২ শতাধিক পরীক্ষার্থী কলেজের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকে এবং কলেজ প্রাঙ্গণে ডিম নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে তারা উত্তর-পশ্চিম পাশের ২ গেট ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের জানালার কাচ ভাঙচুর করে। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সহযোগিতায় পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র নিরাপদে ডাকঘরে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া এবং পরীক্ষার হলে কক্ষ পরিদর্শকদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা শেষে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। একপর্যায়ে তারা কলেজের ২ গেট ভেঙে ভবনের জানালা ও অন্যান্য স্থাপনায় ভাঙচুর চালায়।
চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ বলেন, প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং শিক্ষকদের সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগে কিছু পরীক্ষার্থী অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করতে হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা এবং কাউকে আটক করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে











