মঙ্গলবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও পৌর কমিউনিটি সেন্টারে নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামকে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁয়ে প্রথম জাতীয় পার্টিতে ঠেকাতে ছাত্রদের নিয়ে বিএনপি করেছি, আস্তে আস্তে দলটিকে দাঁড় করিয়েছি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিএনপি আপোষহীন, অসাম্প্রদায়িকতায় বিএনপি আপোসহীন। উন্নয়নের সার্থে আমরা আপসহীন। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবাই একসাথে বড় হয়েছে এখানে যে সম্প্রদায়িকতা তৈরি করবে, তারা দেশ ও ঠাকুরগাঁয়ের ক্ষতি করবে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে একটি গোষ্ঠী একাত্তরের চেতনাকে পেছনে ফেলতে চায়। একাত্তরের স্বাধীনতাই আমাদের অস্তিত্ব। একাত্তরকে পিছিয়ে ফেললে আমি আমার অস্তিত্বই হারিয়ে ফেলবো। গত ১৫ বছর ধরে আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হয়েছে। ভোটাধিকার আদায়ের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার ও মূল্য দিতে হয়েছে। শুধু জুলাই মাসেই প্রায় দুই হাজার তরুণ প্রাণ দিয়েছে। এত ত্যাগের পরেই আমরা এই নির্বাচন পেয়েছি।
এ সময় তিনি আরও বলেন, “ধর্মকে ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, মিথ্যাচার চালানো হচ্ছে। এসব বিষয়ে দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের ভোটটা খুব সাবধানে দিতে হবে। ভোট একটা আমানত। আর এ আমানতের খেয়ানত করা যাবেনা। নির্বাচনে ভোট দিতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হলে দেশ আবারও বিপদের মুখে পড়বে।
উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
নির্বাচনী সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।