১০:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জাতীয় সংসদে মশিউর রহমান আকনকে পাঠানোর দাবিতে আমতলী-তালতলীতে তীব্র আলোচনা

বরগুনা-১ আসনে মশিউরকে ঘিরে জনমত

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় ১১:৩৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২১১ Time View

আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে তীব্র জনআলোচনা চলছে। স্থানীয় জনগণের মধ্যে বারবার উঠে আসছে—কে এই অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারবেন।

পাড়ার চায়ের দোকান, হাটবাজার, হোটেল ও রেস্টুরেন্টে চলছে নির্বাচনী আলোচনা। বিশেষ করে বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলীর ভোটারদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, বর্তমান বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা সাধারণ জনগণের সঙ্গে পর্যাপ্ত যোগাযোগ রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। এ নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও অসন্তোষ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এমন প্রেক্ষাপটে বরগুনার অভিজ্ঞ জাতীয়তাবাদী নেতা মশিউর রহমান আকন-এর নাম উঠে আসছে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।

২০০১ সালের বরগুনা-১ উপনির্বাচনে তাঁর কার্যকর নেতৃত্বে বিএনপির প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় এবারও তিনি নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইতোমধ্যে বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী এলাকায় দ্বারে দ্বারে গিয়ে ৩১ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছেন তিনি।

স্থানীয় ভোটারদের ধারণা, মশিউর রহমান আকন যদি দলীয় মনোনয়ন পান, তবে বিশেষ করে আমতলী ও তালতলী উপজেলার প্রায় ৩০ হাজারের বেশি ভোটের সমর্থনে এই আসনে বিজয়ের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।

গুলিশাখালী ইউনিয়নের জেলেপাড়ার বাসিন্দা মো. আবুল মাদবর বলেন,

“আমাগো বরগুনা-১ আসনে যদি মশিউর ভাই ধানের শীর্ষ প্রতীক পান, তাহলে এই এলাকার গরিব, দুঃখী আর জেলে জনগণের স্বপ্ন পূরণ হইবো।”

আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ফরহাদ বলেন,

“আমতলী-তালতলীর মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে হলে মশিউর আকনকে এমপি বানানো জরুরি। বরগুনা সদর নয়, আমতলী ও তালতলী একজোট হলে বিজয় সম্ভব।”

নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে একটি স্লোগান—
“পায়রা নদীর পূর্বপাড়ের ভোট, আমরা পশ্চিম পাড়ে দিমু না—মোগো ভোট, মোগো এমপি।”

সব মিলিয়ে বরগুনা-১ আসনে মশিউর রহমান আকনের প্রার্থিতা স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা ও শক্ত সমর্থন তৈরি করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

জাতীয় সংসদে মশিউর রহমান আকনকে পাঠানোর দাবিতে আমতলী-তালতলীতে তীব্র আলোচনা

বরগুনা-১ আসনে মশিউরকে ঘিরে জনমত

প্রকাশের সময় ১১:৩৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে তীব্র জনআলোচনা চলছে। স্থানীয় জনগণের মধ্যে বারবার উঠে আসছে—কে এই অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা, কল্যাণ ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারবেন।

পাড়ার চায়ের দোকান, হাটবাজার, হোটেল ও রেস্টুরেন্টে চলছে নির্বাচনী আলোচনা। বিশেষ করে বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলীর ভোটারদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, বর্তমান বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা সাধারণ জনগণের সঙ্গে পর্যাপ্ত যোগাযোগ রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। এ নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যেও অসন্তোষ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এমন প্রেক্ষাপটে বরগুনার অভিজ্ঞ জাতীয়তাবাদী নেতা মশিউর রহমান আকন-এর নাম উঠে আসছে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।

২০০১ সালের বরগুনা-১ উপনির্বাচনে তাঁর কার্যকর নেতৃত্বে বিএনপির প্রার্থী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় এবারও তিনি নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইতোমধ্যে বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী এলাকায় দ্বারে দ্বারে গিয়ে ৩১ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছেন তিনি।

স্থানীয় ভোটারদের ধারণা, মশিউর রহমান আকন যদি দলীয় মনোনয়ন পান, তবে বিশেষ করে আমতলী ও তালতলী উপজেলার প্রায় ৩০ হাজারের বেশি ভোটের সমর্থনে এই আসনে বিজয়ের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।

গুলিশাখালী ইউনিয়নের জেলেপাড়ার বাসিন্দা মো. আবুল মাদবর বলেন,

“আমাগো বরগুনা-১ আসনে যদি মশিউর ভাই ধানের শীর্ষ প্রতীক পান, তাহলে এই এলাকার গরিব, দুঃখী আর জেলে জনগণের স্বপ্ন পূরণ হইবো।”

আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ফরহাদ বলেন,

“আমতলী-তালতলীর মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে হলে মশিউর আকনকে এমপি বানানো জরুরি। বরগুনা সদর নয়, আমতলী ও তালতলী একজোট হলে বিজয় সম্ভব।”

নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে একটি স্লোগান—
“পায়রা নদীর পূর্বপাড়ের ভোট, আমরা পশ্চিম পাড়ে দিমু না—মোগো ভোট, মোগো এমপি।”

সব মিলিয়ে বরগুনা-১ আসনে মশিউর রহমান আকনের প্রার্থিতা স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা ও শক্ত সমর্থন তৈরি করেছে।