নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ঐক্যের অঙ্গীকার, পাঁচ জয়িতাকে সম্মাননা
গাইবান্ধায় বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন
- প্রকাশের সময় ০৪:৩৮:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ১৮৬ Time View
“নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধে ঐক্যবদ্ধ হই, ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আজ মঙ্গলবার বেগম রোকেয়া দিবস ও আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ পালন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে সকাল ১১টার দিকে স্বাধীনতা প্রাঙ্গন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) একে এম হেদায়েতুল ইসলাম। সঞ্চালনায় ছিলেন শিরিন আক্তার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিদ্রোহ কুমার কুন্ড, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাইলাতুল হোসেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নার্গিস জাহান, ডাক্তার রেজোয়ান আহম্মেদসহ বিভিন্ন এনজিওর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বেগম রোকেয়া ছিলেন নারী জাগরণের অগ্রদূত। তাঁর思想 ও কর্ম আজও নারীর অধিকার, আত্মনির্ভরশীলতা এবং সমাজে সমান অবস্থান প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রেরণা জোগায়। বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
পাঁচ জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান
বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ জেলায় ৫ জন শ্রেষ্ঠ ‘অদম্য নারী জয়িতা’কে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। তারা হলেন—
মোছাঃ মমতাজ বেগম, অর্থনৈতিক সাফল্যের জন্য (দুর্গাপুর, গোবিন্দগঞ্জ)।
সাবিনা সরেন, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্যের জন্য (আদমপুর, গোবিন্দগঞ্জ)।
মোছাঃ মজিদা বেগম, সফল জননী নারী হিসেবে (পাইকা, গোবিন্দগঞ্জ)।
মনিকা রানী, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন জয় করে সমাজে স্থিতি অর্জনের জন্য (কাতলামারী, ফুলছড়ি)।
আঙ্গুলি বেগম, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য (আমদিরপাড়া, সাঘাটা)।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জয়িতাদের সংগ্রামী জীবনকে সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন।



















