নতুন সার নীতিমালায় খুচরা ডিলার বাদ—৪০ হাজার পরিবার ক্ষতির মুখে দাবি অংশগ্রহণকারীদের
শেরপুরে সার ডিলারদের লাইসেন্স বহালের দাবিতে মানববন্ধন
- প্রকাশের সময় ১১:০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
- / ২২৫ Time View
শেরপুরে খুচরা সার ডিলারদের লাইসেন্স বহালের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে শেরপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে খুচরা সার ডিলার এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্থানীয় কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতারা দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। ২০০৯ সালের সার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুসারে বৈধ লাইসেন্স নিয়ে তারা সার বিক্রি করলেও সম্প্রতি ঘোষিত ২০২৫ সালের সার নীতিমালায় তাদের বাদ দেওয়ায় খুচরা ডিলাররা গভীর ক্ষতিতে পড়ছেন।
বক্তারা আরও জানান, খুচরা সার বিতরণ বন্ধ হয়ে গেলে সারাদেশে প্রায় ৪০ হাজার পরিবার সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়বে।
মানববন্ধন শেষে খুচরা ডিলার বহাল রাখার দাবিতে জেলা প্রশাসক, শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০০৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী নিবন্ধিত খুচরা বিক্রেতারা বছরের পর বছর স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ করে আসছেন। নতুন নীতিমালায় তাদের বাদ দেওয়া অন্যায়, অযৌক্তিক ও কৃষি ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর।
তারা নতুন সার নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করে খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স বহাল রাখার জোর দাবি জানান।
শেরপুরে খুচরা সার ডিলারদের লাইসেন্স বহালের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে শেরপুর সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে খুচরা সার ডিলার এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্থানীয় কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতারা দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। ২০০৯ সালের সার ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুসারে বৈধ লাইসেন্স নিয়ে তারা সার বিক্রি করলেও সম্প্রতি ঘোষিত ২০২৫ সালের সার নীতিমালায় তাদের বাদ দেওয়ায় খুচরা ডিলাররা গভীর ক্ষতিতে পড়ছেন।
বক্তারা আরও জানান, খুচরা সার বিতরণ বন্ধ হয়ে গেলে সারাদেশে প্রায় ৪০ হাজার পরিবার সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়বে।
মানববন্ধন শেষে খুচরা ডিলার বহাল রাখার দাবিতে জেলা প্রশাসক, শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০০৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী নিবন্ধিত খুচরা বিক্রেতারা বছরের পর বছর স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ করে আসছেন। নতুন নীতিমালায় তাদের বাদ দেওয়া অন্যায়, অযৌক্তিক ও কৃষি ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর।
তারা নতুন সার নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করে খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স বহাল রাখার জোর দাবি জানান।

















