১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পুরোনো ইবতেদায়ী মাদ্রাসার জায়গায় প্রতিষ্ঠিত কওমী মাদ্রাসাকে উচ্ছেদের অপচেষ্টার অভিযোগ

এলাকাবাসীর অনুদানে চলছে জামিয়াতুস সুন্নাহ কওমী মাদ্রাসা

শিকদার শরিফুল ইসলাম, মোংলা (বাগেরহাট)
  • প্রকাশের সময় ১১:১৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২০৩ Time View

মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের উত্তর বাঁশতলা গ্রামে অবস্থান করছে জামিয়াতুস সুন্নাহ উত্তর বাঁশতলা কওমী মাদ্রাসা। এলাকাবাসীর অনুদানে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে আবাসিক ও অনাবাসিক মিলিয়ে ২৫০ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে।

এর আগে একই স্থানে ফজলুর রহমান শেখের পৈত্রিক জমিতে প্রতিষ্ঠিত ছিল “উত্তর বাঁশতলা আরশাদ আলী স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা”, যা ২০০৪ সাল থেকে কার্যক্রমহীন হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পরিবারের সিদ্ধান্ত এবং স্থানীয়দের সম্মতিতে ২০১৭ সালে সেখানে কওমী মাদরাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এতিমখানার নিবন্ধন সমাজসেবা অধিদপ্তরে চলমান রয়েছে

উচ্ছেদের অপচেষ্টার অভিযোগ

স্থানীয়দের অভিযোগ—এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি লোভের বশবর্তী হয়ে কওমী মাদরাসাটিকে আবারও ইবতেদায়ী মাদরাসা দাবি করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মিথ্যা, বানোয়াট ও জাল কাগজপত্র জমা দিচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য কওমী মাদরাসাকে উচ্ছেদ করে পুরোনো নাম ব্যবহার করে ইবতেদায়ী মাদরাসা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।

এ ঘটনায় উত্তর বাঁশতলা এলাকার মৃত শহর আলী শেখের পুত্র ফজলুর রহমান শেখ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের একটি অনুলিপি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।

প্রশাসনের বক্তব্য

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন,
“ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমী বলেন,
“মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

পুরোনো ইবতেদায়ী মাদ্রাসার জায়গায় প্রতিষ্ঠিত কওমী মাদ্রাসাকে উচ্ছেদের অপচেষ্টার অভিযোগ

এলাকাবাসীর অনুদানে চলছে জামিয়াতুস সুন্নাহ কওমী মাদ্রাসা

প্রকাশের সময় ১১:১৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের উত্তর বাঁশতলা গ্রামে অবস্থান করছে জামিয়াতুস সুন্নাহ উত্তর বাঁশতলা কওমী মাদ্রাসা। এলাকাবাসীর অনুদানে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে আবাসিক ও অনাবাসিক মিলিয়ে ২৫০ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করছে।

এর আগে একই স্থানে ফজলুর রহমান শেখের পৈত্রিক জমিতে প্রতিষ্ঠিত ছিল “উত্তর বাঁশতলা আরশাদ আলী স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা”, যা ২০০৪ সাল থেকে কার্যক্রমহীন হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পরিবারের সিদ্ধান্ত এবং স্থানীয়দের সম্মতিতে ২০১৭ সালে সেখানে কওমী মাদরাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এতিমখানার নিবন্ধন সমাজসেবা অধিদপ্তরে চলমান রয়েছে

উচ্ছেদের অপচেষ্টার অভিযোগ

স্থানীয়দের অভিযোগ—এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি লোভের বশবর্তী হয়ে কওমী মাদরাসাটিকে আবারও ইবতেদায়ী মাদরাসা দাবি করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মিথ্যা, বানোয়াট ও জাল কাগজপত্র জমা দিচ্ছেন। তাদের উদ্দেশ্য কওমী মাদরাসাকে উচ্ছেদ করে পুরোনো নাম ব্যবহার করে ইবতেদায়ী মাদরাসা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।

এ ঘটনায় উত্তর বাঁশতলা এলাকার মৃত শহর আলী শেখের পুত্র ফজলুর রহমান শেখ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের একটি অনুলিপি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।

প্রশাসনের বক্তব্য

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন,
“ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে মোংলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমী বলেন,
“মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”