০৫:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মৌলিক ঋণ ও গহনা ফেরত চাইতে গিয়ে নারীর উপর হুমকি ও বাধা

আমতলীতে থানায় অভিযোগ, নারী নেত্রীর হুমকিতে ভুক্তভোগী পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

সংবাদদাতাঃ
  • প্রকাশের সময় ১২:২৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৭৮ Time View

0-0x0-0-0#

আমতলী থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর নাসিমা বেগম নামের এক নারী চরম বিপাকে পড়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা মহিলা দলের স্বঘোষিত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা আক্তার হেপি তাকে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন। ভুক্তভোগী নাসিমা চিকিৎসা নিতে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং বর্তমানে প্রাণনাশের আশঙ্কায় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বুধবার বিকেলে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগে এসব তথ্য দেন নাসিমা বেগম।

অভিযোগ অনুযায়ী, নাসিমা বেগম তার বোনের ছেলে মহসিন ও বোনের মেয়ে শান্তা আক্তার থেকে ধার নেওয়া অর্থ ও স্বর্ণালংকার ফেরত চাইলে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে নাসিমাকে মারধর করে। স্থানীয়রা আহত নাসিমাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান।

তবে অভিযোগে বলা হয়েছে, মাহমুদা আক্তার হেপি ও চাওড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মো. জুয়েল আজাদ হাওলাদার মহসিনের পক্ষে দাঁড়িয়ে নাসিমাকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেন। পরে নাসিমা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

নাসিমা বেগম বলেন,“থানায় অভিযোগ করার পর থেকে আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ না তুললে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তাই এখন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়ে মাহমুদা আক্তার হেপি বলেন,“নাসিমা ও মহসিন আমার এলাকার মানুষ। তাদের মধ্যে ঝামেলা মীমাংসার চেষ্টা করেছি। হুমকির অভিযোগ সত্য নয়।

আমতলী উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক মীরা খান বলেন,
মাহমুদা আক্তার হেপি দলের কোনো পদে নেই। অনেকেই স্বঘোষিত পদ-পদবি নিয়ে ঘোরে।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান,
অভিযোগ পেয়েছি। প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি আগে জানতাম না। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

মৌলিক ঋণ ও গহনা ফেরত চাইতে গিয়ে নারীর উপর হুমকি ও বাধা

আমতলীতে থানায় অভিযোগ, নারী নেত্রীর হুমকিতে ভুক্তভোগী পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

প্রকাশের সময় ১২:২৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

আমতলী থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর নাসিমা বেগম নামের এক নারী চরম বিপাকে পড়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা মহিলা দলের স্বঘোষিত সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা আক্তার হেপি তাকে অভিযোগ তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছেন। ভুক্তভোগী নাসিমা চিকিৎসা নিতে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং বর্তমানে প্রাণনাশের আশঙ্কায় এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

বুধবার বিকেলে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগে এসব তথ্য দেন নাসিমা বেগম।

অভিযোগ অনুযায়ী, নাসিমা বেগম তার বোনের ছেলে মহসিন ও বোনের মেয়ে শান্তা আক্তার থেকে ধার নেওয়া অর্থ ও স্বর্ণালংকার ফেরত চাইলে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে নাসিমাকে মারধর করে। স্থানীয়রা আহত নাসিমাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান।

তবে অভিযোগে বলা হয়েছে, মাহমুদা আক্তার হেপি ও চাওড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মো. জুয়েল আজাদ হাওলাদার মহসিনের পক্ষে দাঁড়িয়ে নাসিমাকে চিকিৎসা নিতে বাধা দেন। পরে নাসিমা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

নাসিমা বেগম বলেন,“থানায় অভিযোগ করার পর থেকে আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ না তুললে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তাই এখন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়ে মাহমুদা আক্তার হেপি বলেন,“নাসিমা ও মহসিন আমার এলাকার মানুষ। তাদের মধ্যে ঝামেলা মীমাংসার চেষ্টা করেছি। হুমকির অভিযোগ সত্য নয়।

আমতলী উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক মীরা খান বলেন,
মাহমুদা আক্তার হেপি দলের কোনো পদে নেই। অনেকেই স্বঘোষিত পদ-পদবি নিয়ে ঘোরে।

আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান,
অভিযোগ পেয়েছি। প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি আগে জানতাম না। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।