০৮:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানালেন, কাটা গাছগুলো অর্নামেন্টাল, পরিবেশবাদীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন

শেরপুরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রস্তুতিতে ২১ টি দেবদারু গাছ কেটে ফেলা নিয়ে বিতর্ক

মেহেদী হাসান শামীম, শেরপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় ১২:১৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৩২ Time View

শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের বাউন্ডারির ভিতরে ২১ টি দেবদারু গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, এগুলো কাঠের গাছ নয়, বরং অর্নামেন্টাল বা সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ। অফিসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসেবে এই ছোট চারা গাছগুলো কাটা হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৬ নভেম্বর জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উদযাপিত হবে। এই সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা। অনুষ্ঠানের জন্য অফিসের ভিতরে প্যান্ডেল নির্মাণ করতে গেলে স্থান সংকুলান না হওয়ায় গাছগুলো কাটা হয়েছে।

পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীন ভয়েস এর সাধারণ সম্পাদক মারুফুর রহমান বলেন, “গাছ তো গাছই, চারা বা বড়, কাঠের বা অলংকরণ গাছ—সবই পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই গাছগুলো থেকে আমরা অক্সিজেন পাই। এগুলো কাটা অবশ্যই অন্যায় হয়েছে। কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে নজর দেওয়ার অনুরোধ করছি।”

অভিযুক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এবিএম আব্দুর রউফ বলেন, “গাছগুলো সৌন্দর্যবর্ধনমূলক। এগুলো অনিচ্ছাকৃতভাবে কেটে ফেলা হয়েছে। তবে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ শেষ হওয়ার পর আমরা আবারও গাছ লাগানো হবে।”

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল কবির জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের গাছ কাটার বিষয়টি তার জানা নেই, তাই তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারছেন না।

Please Share This Post in Your Social Media

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানালেন, কাটা গাছগুলো অর্নামেন্টাল, পরিবেশবাদীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন

শেরপুরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহের প্রস্তুতিতে ২১ টি দেবদারু গাছ কেটে ফেলা নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশের সময় ১২:১৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

শেরপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের বাউন্ডারির ভিতরে ২১ টি দেবদারু গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, এগুলো কাঠের গাছ নয়, বরং অর্নামেন্টাল বা সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছ। অফিসের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অংশ হিসেবে এই ছোট চারা গাছগুলো কাটা হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৬ নভেম্বর জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উদযাপিত হবে। এই সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা। অনুষ্ঠানের জন্য অফিসের ভিতরে প্যান্ডেল নির্মাণ করতে গেলে স্থান সংকুলান না হওয়ায় গাছগুলো কাটা হয়েছে।

পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রীন ভয়েস এর সাধারণ সম্পাদক মারুফুর রহমান বলেন, “গাছ তো গাছই, চারা বা বড়, কাঠের বা অলংকরণ গাছ—সবই পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই গাছগুলো থেকে আমরা অক্সিজেন পাই। এগুলো কাটা অবশ্যই অন্যায় হয়েছে। কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে নজর দেওয়ার অনুরোধ করছি।”

অভিযুক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এবিএম আব্দুর রউফ বলেন, “গাছগুলো সৌন্দর্যবর্ধনমূলক। এগুলো অনিচ্ছাকৃতভাবে কেটে ফেলা হয়েছে। তবে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ শেষ হওয়ার পর আমরা আবারও গাছ লাগানো হবে।”

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল কবির জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের গাছ কাটার বিষয়টি তার জানা নেই, তাই তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারছেন না।