০৫:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর ছাপানো উচিত নতুন সংবিধান—অ্যাটর্নি জেনারেল

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন নির্ধারণ করবে পরবর্তী সংসদ

বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় ০৮:৫৮:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৩৬ Time View

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর নতুন সংবিধান ছাপানোর আহ্বান জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো ও গঠন কেমন হবে তা পরবর্তী জাতীয় সংসদই নির্ধারণ করবে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে আপিল বিভাগের ঐতিহাসিক রায় ঘোষণার পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসায় জনগণ এখন নিজ ভোট নিজে দিতে পারবে।

আর দিনের ভোট রাতে হবে না, কিংবা মৃত মানুষের ভোটদানও আর সম্ভব হবে না। “দেশ গণতান্ত্রিক মহাসড়কে হাঁটা শুরু করেছে,” মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।

পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর জানা যাবে নতুন তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, এবং এটি পূর্বের কাঠামো নাকি জুলাই সনদ অনুসারে হবে।

এর আগে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চে আরও ছিলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

গত ১১ নভেম্বর শুনানি শেষে আজ রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। শুনানিতে বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য আপিলকারীদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরলেও আসন্ন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে; তবে চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে।

২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করেন তৎকালীন আপিল বিভাগ। ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর আবারও এই বিষয়ে নতুন করে আইনি লড়াই শুরু হয়।

চলতি বছরের ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করেন সর্বোচ্চ আদালত।

এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ব্যক্তি, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর ছাপানো উচিত নতুন সংবিধান—অ্যাটর্নি জেনারেল

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন নির্ধারণ করবে পরবর্তী সংসদ

প্রকাশের সময় ০৮:৫৮:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর নতুন সংবিধান ছাপানোর আহ্বান জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাঠামো ও গঠন কেমন হবে তা পরবর্তী জাতীয় সংসদই নির্ধারণ করবে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকালে আপিল বিভাগের ঐতিহাসিক রায় ঘোষণার পর প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আসায় জনগণ এখন নিজ ভোট নিজে দিতে পারবে।

আর দিনের ভোট রাতে হবে না, কিংবা মৃত মানুষের ভোটদানও আর সম্ভব হবে না। “দেশ গণতান্ত্রিক মহাসড়কে হাঁটা শুরু করেছে,” মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।

পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর জানা যাবে নতুন তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন, এবং এটি পূর্বের কাঠামো নাকি জুলাই সনদ অনুসারে হবে।

এর আগে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে রায় ঘোষণা করেন। বেঞ্চে আরও ছিলেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

গত ১১ নভেম্বর শুনানি শেষে আজ রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। শুনানিতে বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য আপিলকারীদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরলেও আসন্ন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে; তবে চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে।

২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করেন তৎকালীন আপিল বিভাগ। ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর আবারও এই বিষয়ে নতুন করে আইনি লড়াই শুরু হয়।

চলতি বছরের ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করেন সর্বোচ্চ আদালত।

এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন ব্যক্তি, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।