০৯:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া চাপড়া স্বাদের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, প্রস্তুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যাচ্ছে

মধুপুরের পিরোজপুর বাজারে চাপড়ার জমজমাট চাহিদা

জুয়েল রানা, মধুপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় ১১:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১৮৪ Time View

মধুপুর, টাঙ্গাইল, ২০ নভেম্বর ২০২৫ – টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ৪নং কুড়াগাছা ইউনিয়নের পিরোজপুর বাজারে বিকেলে প্রস্তুত হওয়া ঐতিহ্যবাহী চাপড়া এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

বাজারে দীর্ঘদিন ধরে এই চাপড়া তৈরি ও বিক্রি করে আসছেন মো. ইদ্রিস (৫০) আলী। বিশেষ করে সাদ্দাম ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কেবল টিভি নেটওয়ার্কের দোকানের সামনে প্রতিদিন ভিড় করেন ক্রেতারা।

স্থানীয়ভাবে তৈরি এই চাপড়া ঘরোয়া উপকরণে প্রস্তুত হওয়ায় ভোজনরসিকদের কাছে আলাদা স্বাদে জনপ্রিয়। সেই কারণে বাজারে চাপড়া আনার কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়।

এক ক্রেতা বলেন, “একই দিনে বানানো চাপড়ার স্বাদ অসাধারণ। কোনো সংরক্ষণ ছাড়াই তরতাজা অবস্থায় পাওয়া যায়, তাই স্বাদ পুরোপুরি আলাদা।”

দোকানদারদের মতে, প্রতিদিন চাপড়ার চাহিদা বাড়ছে। বাজারে আসা মানুষজন দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে কিনে নিচ্ছেন এই সুস্বাদু খাবারটি।

স্থানীয়রা বলছেন, পিরোজপুর বাজারের চাপড়া শুধু স্বাদের কারণে নয়, বরং এলাকার একটি খাদ্য–ঐতিহ্য হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছে। মো. ইদ্রিস আলীর অবদানেই এই ঐতিহ্য আজও ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ঐতিহ্যবাহী ঘরোয়া চাপড়া স্বাদের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, প্রস্তুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যাচ্ছে

মধুপুরের পিরোজপুর বাজারে চাপড়ার জমজমাট চাহিদা

প্রকাশের সময় ১১:৩১:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

মধুপুর, টাঙ্গাইল, ২০ নভেম্বর ২০২৫ – টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ৪নং কুড়াগাছা ইউনিয়নের পিরোজপুর বাজারে বিকেলে প্রস্তুত হওয়া ঐতিহ্যবাহী চাপড়া এখন স্থানীয়দের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

বাজারে দীর্ঘদিন ধরে এই চাপড়া তৈরি ও বিক্রি করে আসছেন মো. ইদ্রিস (৫০) আলী। বিশেষ করে সাদ্দাম ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কেবল টিভি নেটওয়ার্কের দোকানের সামনে প্রতিদিন ভিড় করেন ক্রেতারা।

স্থানীয়ভাবে তৈরি এই চাপড়া ঘরোয়া উপকরণে প্রস্তুত হওয়ায় ভোজনরসিকদের কাছে আলাদা স্বাদে জনপ্রিয়। সেই কারণে বাজারে চাপড়া আনার কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়।

এক ক্রেতা বলেন, “একই দিনে বানানো চাপড়ার স্বাদ অসাধারণ। কোনো সংরক্ষণ ছাড়াই তরতাজা অবস্থায় পাওয়া যায়, তাই স্বাদ পুরোপুরি আলাদা।”

দোকানদারদের মতে, প্রতিদিন চাপড়ার চাহিদা বাড়ছে। বাজারে আসা মানুষজন দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে কিনে নিচ্ছেন এই সুস্বাদু খাবারটি।

স্থানীয়রা বলছেন, পিরোজপুর বাজারের চাপড়া শুধু স্বাদের কারণে নয়, বরং এলাকার একটি খাদ্য–ঐতিহ্য হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছে। মো. ইদ্রিস আলীর অবদানেই এই ঐতিহ্য আজও ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।