ওয়ার্কওভার শেষে প্রতিদিন ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে
কৈলাশটিলা-১ কূপে নতুন গ্যাসের সন্ধান
- প্রকাশের সময় ০৯:২১:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৯৭ Time View
সিলেটের কৈলাশটিলা গ্যাসফিল্ডের ১ নম্বর কূপে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে আবারও নতুন গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। এই কূপ থেকে প্রতিদিন ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে সিলেট গ্যাসফিল্ডস লিমিটেড (এসজিএফএল)।
কৈলাশটিলা গ্যাসফিল্ডে মোট ৯টি কূপ রয়েছে, যার মধ্যে ১ নম্বর কূপে প্রথম গ্যাসের সন্ধান মেলে ১৯৬১ সালে। পরবর্তী সময়ে বিরতি দিয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কূপটি সক্রিয় ছিল। ২০২৩ সাল থেকে দেশের পুরোনো কূপগুলোতে নতুন করে ওয়ার্কওভার শুরু হলে সিলেট গ্যাসফিল্ডের আওতাধীন ১৪টি কূপে কাজ শুরু হয়। এরমধ্যে কৈলাশটিলা-১ সহ ৭টি কূপে ওয়ার্কওভার শেষ হয়েছে এবং সবগুলোতেই গ্যাসের সন্ধান মিলেছে।
প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, “ওয়ার্কওভার শেষে গ্যাস পাওয়া গেছে। কিছু কাজ বাকি আছে। আজ-কালকের মধ্যেই ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন।” সিলেট গ্যাসফিল্ড সূত্র জানায়, দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই কূপটির গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে। প্রায় ২২ হাজার ফুট গভীরে গ্যাস স্তর শনাক্ত হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রশিদপুর গ্যাসফিল্ডের ৩ নম্বর কূপ থেকে নতুন করে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়। বর্তমানে সিলেট অঞ্চলের কূপগুলো থেকে দৈনিক প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।
২০২৩ ও ২০২৪ সালে সিলেট অঞ্চলে একের পর এক নতুন গ্যাসের সন্ধান মিলছে। এরমধ্যে—
-
কৈলাশটিলা-৮ কূপে ২১ মিলিয়ন ঘনফুট (২৭ মে ২০২৩)
-
হরিপুর-৭ কূপে ৭–৮ মিলিয়ন ঘনফুট (২২ অক্টোবর ২০২৩)
-
হরিপুর-১০ কূপে নতুন গ্যাস স্তর (২৬ নভেম্বর ২০২৩)
-
রশিদপুর-২ কূপে ১৫৭ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস (২৭ জানুয়ারি ২০২৪)
এসজিএফএল-এর আওতাধীন কূপগুলোতে চলমান আরও কয়েকটি প্রকল্প দ্রুত শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, লক্ষ্য অনুযায়ী সব কূপে সফলতা মিললে সিলেট গ্যাসফিল্ডস লিমিটেড একাই প্রতিদিন জাতীয় গ্রিডে প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করতে সক্ষম হবে। বর্তমানে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে কূপ অনুসন্ধান ও ওয়ার্কওভার কাজ চলছে।
সিলেট অঞ্চলে প্রথম গ্যাসের সন্ধান মেলে ১৯৫৫ সালে হরিপুর গ্যাসফিল্ডে। বর্তমানে এসজিএফএল পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র পরিচালনা করছে—হরিপুর, রশিদপুর, ছাতক (পরিত্যক্ত), কৈলাশটিলা ও বিয়ানীবাজার।





















