০৮:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রামপালে ড. ফরিদের উদ্যোগে দুইটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

বাগেরহাট প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় ০১:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২২৩ Time View

বাগেরহাট-৩ (রামপাল–মোংলা) আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে রামপালের ভোজপতিয়া ও পেড়িখালী ইউনিয়নে দ্রুত সময়ে দুইটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছেন। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের প্রত্যক্ষ সহায়তা ও তত্ত্বাবধানে অল্প সময়েই নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় দুই ইউনিয়নের কয়েকশ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমেছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের উপযোগী কোনো সাঁকো না থাকায় শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী ও রোগীদের দৈনন্দিন চলাচলে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছিল। বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা দাবি জানিয়ে আসলেও দীর্ঘদিন তা পূরণ হয়নি। মানবিক বিবেচনায় ড. ফরিদ নিজ অর্থায়নে জরুরি ভিত্তিতে দুইটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেন। কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ শেষ হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

গ্রামবাসীর ভাষ্য—ড. ফরিদ সবসময় গরিব, দুস্থ ও কর্মজীবী মানুষের পাশে থাকেন। তাঁর এই উদ্যোগ মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং মানবতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, এটি শুধু একটি সাঁকো নয়; বরং মানুষের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার ও ভালোবাসার প্রতীক।

Please Share This Post in Your Social Media

রামপালে ড. ফরিদের উদ্যোগে দুইটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ

প্রকাশের সময় ০১:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

বাগেরহাট-৩ (রামপাল–মোংলা) আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে রামপালের ভোজপতিয়া ও পেড়িখালী ইউনিয়নে দ্রুত সময়ে দুইটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছেন। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের প্রত্যক্ষ সহায়তা ও তত্ত্বাবধানে অল্প সময়েই নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় দুই ইউনিয়নের কয়েকশ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমেছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের উপযোগী কোনো সাঁকো না থাকায় শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমজীবী ও রোগীদের দৈনন্দিন চলাচলে ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছিল। বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা দাবি জানিয়ে আসলেও দীর্ঘদিন তা পূরণ হয়নি। মানবিক বিবেচনায় ড. ফরিদ নিজ অর্থায়নে জরুরি ভিত্তিতে দুইটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেন। কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ শেষ হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

গ্রামবাসীর ভাষ্য—ড. ফরিদ সবসময় গরিব, দুস্থ ও কর্মজীবী মানুষের পাশে থাকেন। তাঁর এই উদ্যোগ মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং মানবতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, এটি শুধু একটি সাঁকো নয়; বরং মানুষের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার ও ভালোবাসার প্রতীক।