১১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
উচ্চ লভ্যাংশের প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

মাদারগঞ্জে সমবায় সমিতির আমানত ফেরত দাবিতে ঘেরাও

শাহ আলী বাচ্চু
  • প্রকাশের সময় ০৩:১৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২০১ Time View

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন সমবায় সমিতিতে জমাকৃত আমানত ফেরতের দাবিতে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) উপজেলা পরিষদ ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সকাল থেকে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা উপজেলার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। এসময় দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়।

সমবায় সমিতির আমানত উদ্ধার কমিটির আয়োজনে এই কর্মসূচি হয়। কমিটির মুখপাত্র শিবলুল বারী রাজু জানান, আল আকাবা, শতদল, স্বদেশ, হলিটার্গেট, নবদীপ, রংধনুসহ ২৩টি সমবায় সমিতি গ্রাহকদের উচ্চ লভ্যাংশের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করে। প্রথমে কয়েকজনকে লাভ দিয়ে আস্থা অর্জনের পর ব্যাপক হারে আমানত নেওয়া হয়।

তদন্তে দেখা যায়—এই সমিতিগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটির সঙ্গে জামাত-সমর্থিত ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। অভিযোগ প্রকাশের পর সংগঠনটির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ অস্বীকার করা হলেও পরে উচ্চ পর্যায়ের অনুসন্ধানে তাদের সম্পৃক্ততা প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযুক্ত সমিতির কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আত্মগোপনে চলে যায়। এদের মধ্যে কিছুজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। একপর্যায় প্রশাসন সমিতির সম্পদ জব্দ করে গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু অর্থ উদ্ধার হলেও বাকি টাকা ফিরে না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা আন্দোলনে নামেন।

সচেতন মহলের দাবি, আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে বিলম্ব ও অনিশ্চয়তা তৈরি হলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

উচ্চ লভ্যাংশের প্রলোভনে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

মাদারগঞ্জে সমবায় সমিতির আমানত ফেরত দাবিতে ঘেরাও

প্রকাশের সময় ০৩:১৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন সমবায় সমিতিতে জমাকৃত আমানত ফেরতের দাবিতে মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) উপজেলা পরিষদ ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সকাল থেকে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা উপজেলার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। এসময় দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দেয়।

সমবায় সমিতির আমানত উদ্ধার কমিটির আয়োজনে এই কর্মসূচি হয়। কমিটির মুখপাত্র শিবলুল বারী রাজু জানান, আল আকাবা, শতদল, স্বদেশ, হলিটার্গেট, নবদীপ, রংধনুসহ ২৩টি সমবায় সমিতি গ্রাহকদের উচ্চ লভ্যাংশের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহ করে। প্রথমে কয়েকজনকে লাভ দিয়ে আস্থা অর্জনের পর ব্যাপক হারে আমানত নেওয়া হয়।

তদন্তে দেখা যায়—এই সমিতিগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটির সঙ্গে জামাত-সমর্থিত ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। অভিযোগ প্রকাশের পর সংগঠনটির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ অস্বীকার করা হলেও পরে উচ্চ পর্যায়ের অনুসন্ধানে তাদের সম্পৃক্ততা প্রমাণ পাওয়া যায়।

অভিযুক্ত সমিতির কয়েকজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আত্মগোপনে চলে যায়। এদের মধ্যে কিছুজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। একপর্যায় প্রশাসন সমিতির সম্পদ জব্দ করে গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু অর্থ উদ্ধার হলেও বাকি টাকা ফিরে না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা আন্দোলনে নামেন।

সচেতন মহলের দাবি, আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে বিলম্ব ও অনিশ্চয়তা তৈরি হলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।