০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ইসির গেজেট অবৈধ ঘোষণা; চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার সিদ্ধান্ত বাতিল

বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের

বাগেরহাট প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় ০২:০০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২১৭ Time View

বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আসনসংখ্যা চার থেকে তিনে কমানোর সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (১০ নভেম্বর ২০২৫) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট একটি রুল জারি করে জানতে চান, কেন বাগেরহাটে চারটি আসন বহাল রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হবে না এবং কেন নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত গেজেট অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

রিটটি দায়ের করেছিলেন বাগেরহাট প্রেসক্লাব, জেলা আইনজীবী সমিতি, জেলা বিএনপি, জেলা জামায়াতে ইসলামী, জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন।

রিটে বিবাদী ছিলেন সরকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিবঅ্যাটর্নি জেনারেল
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শেখ মুহাম্মদ জাকির হোসেন। তাঁকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট বিপ্লব কুমার পোদ্দার, অ্যাডভোকেট ফয়সাল মোস্তফা, অ্যাডভোকেট রাজিয়া সুলতানা, ব্যারিস্টার কাজী সামান্তা এনাম, অ্যাডভোকেট আমিনুজ্জামান সোহাগ, অ্যাডভোকেট এনামুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমানঅ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইকরামুল কবির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব দেয়। স্থানীয় রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলো এর তীব্র বিরোধিতা করে এবং সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি গঠন করে আন্দোলন শুরু করে।

তাদের দাবি সত্ত্বেও ইসি গত ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে বাগেরহাটকে তিন আসনে ভাগ করে—

  • বাগেরহাট-১: বাগেরহাট সদর, চিতলমারী ও মোল্লাহাট

  • বাগেরহাট-২: ফকিরহাট, রামপাল ও মোংলা

  • বাগেরহাট-৩: কচুয়া, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা

১৯৬৯ সাল থেকে বাগেরহাট জেলায় চারটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

Please Share This Post in Your Social Media

ইসির গেজেট অবৈধ ঘোষণা; চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার সিদ্ধান্ত বাতিল

বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রকাশের সময় ০২:০০:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আসনসংখ্যা চার থেকে তিনে কমানোর সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

সোমবার (১০ নভেম্বর ২০২৫) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট একটি রুল জারি করে জানতে চান, কেন বাগেরহাটে চারটি আসন বহাল রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হবে না এবং কেন নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত গেজেট অবৈধ ঘোষণা করা হবে না।

রিটটি দায়ের করেছিলেন বাগেরহাট প্রেসক্লাব, জেলা আইনজীবী সমিতি, জেলা বিএনপি, জেলা জামায়াতে ইসলামী, জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ও জেলা ট্রাক মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন।

রিটে বিবাদী ছিলেন সরকার, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিবঅ্যাটর্নি জেনারেল
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শেখ মুহাম্মদ জাকির হোসেন। তাঁকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট বিপ্লব কুমার পোদ্দার, অ্যাডভোকেট ফয়সাল মোস্তফা, অ্যাডভোকেট রাজিয়া সুলতানা, ব্যারিস্টার কাজী সামান্তা এনাম, অ্যাডভোকেট আমিনুজ্জামান সোহাগ, অ্যাডভোকেট এনামুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমানঅ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইকরামুল কবির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি করার প্রস্তাব দেয়। স্থানীয় রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনগুলো এর তীব্র বিরোধিতা করে এবং সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি গঠন করে আন্দোলন শুরু করে।

তাদের দাবি সত্ত্বেও ইসি গত ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে বাগেরহাটকে তিন আসনে ভাগ করে—

  • বাগেরহাট-১: বাগেরহাট সদর, চিতলমারী ও মোল্লাহাট

  • বাগেরহাট-২: ফকিরহাট, রামপাল ও মোংলা

  • বাগেরহাট-৩: কচুয়া, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা

১৯৬৯ সাল থেকে বাগেরহাট জেলায় চারটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।