০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
চিত্রাঙ্কনে শিশুর ভাবনায় নিরাপদ ও সবুজ নগর

শিশুর চোখে স্বপ্নের নগর: তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠল মানবিক শহর

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় ০১:২৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৭৯ Time View

বিশ্ব নগর দিবস ২০২৫ উপলক্ষে সিরাক-বাংলাদেশ ও ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে “শিফট প্রকল্প”-এর আওতায় “শিশুর চোখে নগর” শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ নগরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের অল্পবয়সী শিশুরা। “নগর আমাদের বাসস্থান, আমাদের ভবিষ্যৎ”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শিশুরা তাদের চোখে দেখা স্বপ্নের শহরকে রঙ-তুলির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে। তাদের আঁকা ছবিতে উঠে আসে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মানবিক নগর জীবনের স্বপ্নচিত্র।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোঃ সেলিম মিয়া, উপপরিচালক, সিরাক-বাংলাদেশ।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এইচ এম আরিফুল ইসলাম, প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন লুৎফুন নাহার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), ময়মনসিংহ জেলা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন—
মোঃ রাজন, সভাপতি, ময়মনসিংহ বিভাগীয় চারুশিল্পী পর্ষদ;
সাংবাদিক মো. মঈন উদ্দীন রায়হান;
ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ;
এছাড়া মোঃ কামরান মিয়া, নেটওয়ার্ক অফিসার এবং মোঃ এনামুল হক, আইটি ও কমিউনিকেশন অ্যাসোসিয়েট, সিরাক-বাংলাদেশসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিচারকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তে পাঁচজন সৃজনশীল শিশু বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হয়। পরে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এইচ এম আরিফুল ইসলাম বলেন, “বিশ্ব নগর দিবস উপলক্ষে এই ‘শিশুর চোখে নগর’ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এতে শিশুরা তাদের চোখে আগামীর নগর কেমন হওয়া উচিত তা তুলে ধরেছে—যা ভবিষ্যতের নগর পরিকল্পনায় অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

বিশেষ অতিথি লুৎফুন নাহার বলেন, “শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের কল্পনা ও চিন্তাধারা থেকেই যদি আগামী নগর পরিকল্পনা তৈরি হয়, তবে সেই ভবিষ্যৎ হবে আরও সুন্দর, মানবিক ও টেকসই।”

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজক প্রতিষ্ঠান সিরাক-বাংলাদেশ জানায়,
এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা শিশু ও তরুণদের অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্ব, নগর উন্নয়ন এবং সুশাসন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।

আসুন, শিশুদের চোখে দেখি এক সুন্দর, নিরাপদ ও মানবিক নগর ভবিষ্যৎ।

Please Share This Post in Your Social Media

চিত্রাঙ্কনে শিশুর ভাবনায় নিরাপদ ও সবুজ নগর

শিশুর চোখে স্বপ্নের নগর: তুলির আঁচড়ে ফুটে উঠল মানবিক শহর

প্রকাশের সময় ০১:২৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

বিশ্ব নগর দিবস ২০২৫ উপলক্ষে সিরাক-বাংলাদেশ ও ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের যৌথ উদ্যোগে “শিফট প্রকল্প”-এর আওতায় “শিশুর চোখে নগর” শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ নগরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিভিন্ন বিদ্যালয়ের অল্পবয়সী শিশুরা। “নগর আমাদের বাসস্থান, আমাদের ভবিষ্যৎ”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শিশুরা তাদের চোখে দেখা স্বপ্নের শহরকে রঙ-তুলির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলে। তাদের আঁকা ছবিতে উঠে আসে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও মানবিক নগর জীবনের স্বপ্নচিত্র।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোঃ সেলিম মিয়া, উপপরিচালক, সিরাক-বাংলাদেশ।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এইচ এম আরিফুল ইসলাম, প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন লুৎফুন নাহার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), ময়মনসিংহ জেলা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন—
মোঃ রাজন, সভাপতি, ময়মনসিংহ বিভাগীয় চারুশিল্পী পর্ষদ;
সাংবাদিক মো. মঈন উদ্দীন রায়হান;
ময়মনসিংহ নগর যুব কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দ;
এছাড়া মোঃ কামরান মিয়া, নেটওয়ার্ক অফিসার এবং মোঃ এনামুল হক, আইটি ও কমিউনিকেশন অ্যাসোসিয়েট, সিরাক-বাংলাদেশসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিচারকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তে পাঁচজন সৃজনশীল শিশু বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত হয়। পরে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এইচ এম আরিফুল ইসলাম বলেন, “বিশ্ব নগর দিবস উপলক্ষে এই ‘শিশুর চোখে নগর’ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এতে শিশুরা তাদের চোখে আগামীর নগর কেমন হওয়া উচিত তা তুলে ধরেছে—যা ভবিষ্যতের নগর পরিকল্পনায় অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

বিশেষ অতিথি লুৎফুন নাহার বলেন, “শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। তাদের কল্পনা ও চিন্তাধারা থেকেই যদি আগামী নগর পরিকল্পনা তৈরি হয়, তবে সেই ভবিষ্যৎ হবে আরও সুন্দর, মানবিক ও টেকসই।”

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজক প্রতিষ্ঠান সিরাক-বাংলাদেশ জানায়,
এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা শিশু ও তরুণদের অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্ব, নগর উন্নয়ন এবং সুশাসন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।

আসুন, শিশুদের চোখে দেখি এক সুন্দর, নিরাপদ ও মানবিক নগর ভবিষ্যৎ।